Thursday, February 25, 2021
Home রাজ্য নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী,বুথের ধারেকাছেও থাকবে না সিভিক-গ্রিন পুলিশ ।

নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী,বুথের ধারেকাছেও থাকবে না সিভিক-গ্রিন পুলিশ ।

ভোটে সিভিক-গ্রিন পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের রাশও থাকতে পারে কমিশনের হাতেই।

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: ভোটের দিন বা ভোটের সময় সুস্থ নির্বাচন করার দায়িত্ব কার হাতে থাকবে সেটাই এখন হাজার কোটির প্রশ্ন।তবে গত কাল বৈঠকে কিছুটা ইঙ্গিত মিললো।বৃহস্পতিবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জেলাশাসক, রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার এবং আইজি বিএসএফ, আইজি সিআরপিএফের সঙ্গে দিনভর নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকে এমনই ইঙ্গিত মিলল।

নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েনের দায়িত্ব থাকে রাজ্যের হাতেই।কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হলেও তা ঠিকমতো মোতায়েন করা হয় না বলে বরাবর অভিযোগ ওঠে।

একাধিক ক্ষেত্রে ওঠে প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।সেকথা মাথায় রেখেই এবার ভোটের দিনেও বাহিনী নিয়ন্ত্রণের রাশ নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে কমিশন। অর্থাৎ রাজ্যে এবার নির্বাচনে একাধিক পুলিশ নোডাল অফিসার নিয়োগ হতে পারে।

সূত্রের খবর,আগামী নির্বাচনে বিএসএফ বা সিআরপিএফের কোনও কর্তাকে পুলিশের নোডাল হিসাবে নিয়োগ করা হতে পারে।ভোট চলাকালীন এই নোডাল অফিসাররাই বাহিনী নিয়ন্ত্রনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

বৃহস্পতিবার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে ফুল বেঞ্চের সাফ বক্তব্য, ‘‘কেরিয়ারে দাগ লাগাবেন না। কোনও সাফাই নয়। এবার সরাসরি সাসপেন্ডের পথে হাঁটবে কমিশন।’’

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে যে কমিশন নাখুশ তা রাজ্যে এসেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ডেপুটি

বৃস্পতিবার প্রথমার্ধে পুলিশের নোডাল অফিসার তথা এডিজি ‘ল অ্যন্ড অর্ডার’ জ্ঞানবন্ত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরারবা নেতৃত্বাধীন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর না হওয়ায় রীতিমতো উষ্মা প্রকাশ করেছে তারা।

‘এডিজি ল অ্যান্ড অর্ডারকে’ কমিশনের সাফ বার্তা,”ভোটের অনেক আগে থেকেই ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করুন। কমিশনের সমস্ত নির্দেশ ১০০ শতাংশ কার্যকর করুন”।

সূত্রের খবর,এ দিন আগে থেকেই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি তৈরি করে নিয়ে গিয়েছিলেন জ্ঞানবন্ত সিং। সম্ভাব্য অপরাধী ও যারা গোলমাল পাকাতে পারেন সেই সংক্রান্ত একটি তালিকাও তিনি কমিশনের কাছে এদিন পেশ করেন। মোট ৫০ হাজার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানার মধ্যে আপাতত ১০ হাজার পরোয়ানা কার্যকর করা গিয়েছে।

পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে,”প্রতিবারের মতো এবার ভোটে কোনো সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রিন পুলিশকে কাজে লাগানো যাবে না”।

‘এডিজি ল’ অ্যান্ড অর্ডার’ ছাড়াও এদিন ভোটে কত সংখ্যক বাহিনী পাওয়া যাবে তা যাচাই করতে আই জি বিএসএফ, আই জি সিআরপিএফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কমিশন কর্তারা। রাজ্যে বর্তমানে যে সংখ্যক বাহিনী রয়েছে তাঁর হিসেব নিয়েছে কমিশন।পাশাপাশি রাজ্যে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা বলা হয়েছে।

এদিন সব শেষে সমস্ত জেলার শাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে কমিশন। জেলাগুলিকে অবিলম্বে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি ভোটের যাবতীয় প্রস্তুতি আপ-টু-ডেট রাখতে বলা হয়েছে।বেশ কিছু জেলাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ও হেলিককপ্টার তৈরি রাখতে বলা হয়েছে।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?