Monday, May 17, 2021
Home রাজ্য নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

ডলি মল্লিক: বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রায়গঞ্জ বিধানসভার কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের পিরোজপুরের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছিল তৃনমূল কংগ্রেস।

বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির এখানকার নির্বাচনী কার্যালয় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তৃনমূল কংগ্রেস। দুস্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পিরোজপুর এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিজেপির নেতা কর্মীরা। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশবাহিনী। যদিও এই ঘটনার সাথে তৃনমূলের কোনও হাত নেই বলে দাবি করে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দের কারনেই এই ঘটনা ঘটেছে।

পয়লা বৈশাখের দিন রাতে রায়গঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের পিরোজপুর এলাকায় বিজেপির একটি নির্বাচনী কার্যালয় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুস্কৃতীরা। এই ঘটনার অভিযোগের তীর উঠেছে তৃনমূল কংগ্রেসের দিকে। স্থানীয় বিজেপির মন্ডল সভাপতি গনেশ চন্দ্র বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই আমাদের দলের কর্মীদের মোবাইলে কখনও সরাসরি হুমকি দিয়ে আসছিল তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা। গতকাল রাতে তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা আমাদের এলাকার বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

এই ঘটনার সাথে যুক্ত তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আমরা এলাকায় পথ অবরোধ করেছি। যতক্ষন না দুস্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা হবে ততক্ষন এই অবরোধ চলবে। প্রয়োজনে আমরা রাজ্য সড়ক এবং রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হবো। যদিও স্থানীয় তৃনমূল কংগ্রেস নেতা তথা কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত দাস জানিয়েছেন, বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার সাথে তৃনমূলের কোনও হাত নেই। এটা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের বহিঃপ্রকাশ।

তিনি এও বলেন, সম্প্রতি বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ীকে অপসারিত করার কারনেই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট হয়েছে। এই ঘটনা তারই প্রতিফলন। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?