Wednesday, September 22, 2021
Home রাজ্য পুরুলিয়া-বীরভূম-বাঁকুড়া তৃণমূলকে তোপ দেগে,জেলা সফরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলকে তোপ দেগে,জেলা সফরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

২১'শের নির্বাচনে বিজেপি সরকার এসে প্রত্যেক কৃষকের ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টে কুড়ি হাজার টাকা করে দেবে",মন্তব্য রাজুর।

নরেশ ভকত, বাঁকুড়াঃ পশ্চিমবঙ্গে ৭২ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছে,কিন্তু রাজ্য সরকার বলছে এরাজ্যে কোন কৃষক আত্মহত্যা করেনি।কোথাও বলছে ব্যাক্তিগত কারনে,কোথাও বলছে রোগের কারনে মারা গেছে।

আজ বড়জোড়া বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত বড়জোড়া মন্ডল 1 এর কৃষ্ণনগর গ্রামে কৃষক সুরক্ষা অভিযান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিজেপির রাজ্যের সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় এ অভিযোগ করেন,”কেন্দ্রের কৃষক সুরক্ষা যোজনা এরাজ্যে চালু করা যায়নি মমতার জন্য।ভোটের সময় এখন আর তাঁকে কৃষকদের স্বার্থ দেখতে হবে না,২১’শের নির্বাচনে বিজেপি সরকার এসে প্রত্যেক কৃষকের ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টে কুড়ি হাজার টাকা করে দেবে”।

বাঁকুড়া জেলায় আলু চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন, উৎপাদনের অর্ধেক দামও তারা পাচ্ছেন না।এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,রাজ্য সরকার তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের ফড়ে বানিয়ে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে।তার পরিনতি এই হবে।তাঁর বক্তব্য, ফড়েদের না হাঁটালে কৃষকরা চিরকাল বঞ্চিত থেকে যাবে।
সারা দেশে কৃষি বিল বাতিলের দাবীতে কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদী সরকার বিচার বিবেচনা করেই এব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি সুজিত অগাস্থি বড়জোড়া মণ্ডল ওয়ানের বিজেপি সভাপতি সুভাষ মন্ডল , বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি তাপস বোস , বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার আমন্ত্রিত সদস্য বাপ্পা চন্দ্রাধূর্য্য  বড়জোড়া বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি সুমন মন্ডল , বড়জোড়া মন্ডল ১ কিষান মোর্চার সভাপতি দীপক মন্ডল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব ।

একইসঙ্গে,বৃহস্পতিবার বড়জোড়া শিল্পাঞ্চলের জমাদার গ্রাম, কৃষ্ণনগর প্রভৃতি গ্রামগুলিতে কৃষক সুরক্ষা অভিযান ও প্রধানমন্ত্রী কিষান যোজনা নিধি প্রকল্পের প্রচারে এসে কৃষক পরিবার গুলিতে মুষ্টিভিক্ষা আদায় করলেন রাজ্য বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার সকালে দলীয় কর্মীরা বাঁকুড়া – দুর্গাপুর ৯ নং রাজ্য সড়কের তারাসিং ব্যারেজ থেকে মোটরবাইক র‌্যালি করে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুজিত অগস্থিকে প্রথমে নিয়ে যান জমাদার গ্রামে । সেখানে একটি মনসা মন্দিরে তারা পুজো দেন। তারপরে গ্রামের মুক্তিরাম দাস নামে এক কৃষক পরিবারে মুষ্টি ভিক্ষার চাল, ডাল, সবজি সংগ্রহ করে কৃষ্ণনগর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানেও ভাদু মণ্ডল পুতুল বারিক দের বাড়ি বাড়ি মুষ্ঠি ভিক্ষার রসদ সংগ্রহ করে নিরঞ্জন পালের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করেন বড়জোড়া চৌমাথায় দেয়াল লেখা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?