Monday, May 17, 2021
Home রাজ্য পুরুলিয়া-বীরভূম-বাঁকুড়া জ্যোতি বসু বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নাম ছাড়াই ব্রিগেড,আক্রমণ শানালেন শমীক।

জ্যোতি বসু বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নাম ছাড়াই ব্রিগেড,আক্রমণ শানালেন শমীক।

এই মঞ্চে কোথাও জ্যোতি বসুর নাম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কথা শোনা যায়নি।

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা:গতকালের ব্রিগেড তরজাই বর্তমানে রাজনীতির মূল আলোচ্য বিষয়।কোথাও আলোচনা , কোথায় সমালোচনা।আর কোথায় বা ‘ভাইজান’।তবে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে গত কয়েক যুগের ‘এমন ছক ভাঙা ব্রিগেড সত্যিই নবীন’।

তবে এই ব্রিগেডকেই নিয়ে এবার তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য।তার কথায় ‘তৃণমূলের অনুপ্রেরণায় এবং মহাম্মদ সেলিমের প্রযোজনায় আমরা যে ব্রিগেড দেখলাম সেখানে ইনক্লাব অনেক কিছুর আগে ম্লান হয়ে গেছে। এই মঞ্চে কোথাও জ্যোতি বসুর নাম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কথা শোনা যায়নি, কংগ্রেস নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও বন্দেমাতরম শব্দটা ব্রিগেডের শোনা গেল না। শব্দ চারণ এবং উল্লাস প্রমাণ করল যে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে আরেকটা বিষাক্ত শক্তি জন্ম নিল’।

‘ 1976 সালে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এ জ্যোতি বসু উপস্থিত ছিলেন। আর 2021 সালে ভাইজান এর সাথে বিমান বসুর উপস্থিতি প্রমাণ করে দিল যে কমিউনিস্ট পার্টির ট্রেডিশন বদলাইনি। তৃণমূল নেতাদের শব্দচয়নের এবং মোহাম্মদ সেলিমের শব্দচয়নের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই বিজেপি নেতাদের আক্রমণের ক্ষেত্রে। বিভাজনের রাজনীতির কারণে আজকে এই ধরনের শক্তির উত্থান সম্ভব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে’।

‘তবে আমরা বিশ্বাস করি অচিরেই এই রাজনীতিকে মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে।যারা দীর্ঘদিন জেলে আছেন তাদের শুধু কাজে লাগাবার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস বাইরে নিয়ে আসছে। আজকে সরকারি অফিসে বসে ক্লাবদের টাকা বিলি করা হচ্ছে’।

‘আমার মনে হয় এই ধরনের রাজনীতি থেকে পশ্চিমবঙ্গের বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। আমরা দলের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের এই ভাইজানের ঔদ্ধত্য এই আগ্রাসী মনোভাব এর বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করব। আমাদের রাজনীতি কোন বিভাজন এর রাজনীতি নয় আমাদের রাজনীতি হলো সমন্বয় রাজনীতি’।এমনই বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ‘জোটের ব্রিগেড’ কে তীব্র সমালোচনা করলেন শমীক ভট্টাচার্য।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?