Friday, October 22, 2021
Home আন্তর্জাতিক চলতি বছরেই অ্যামাজনের সিইও- র পদ থেকে ইস্তফা দেবেন জেফ বেজস।

চলতি বছরেই অ্যামাজনের সিইও- র পদ থেকে ইস্তফা দেবেন জেফ বেজস।

সুইটি মণ্ডল,৩,ফেব্রুয়ারি: স্টার্ট আপ কোম্পানি থেকে আজ অ্যামাজনকে বিশ্বের অন্যতম বড় কোম্পানি হিসেবে তুলে ধরেছেন জেফ বেজস। সারাবিশ্বের ধনীতম ব্যাক্তি তিনি। সেই জেফ বেজস আবার অ্যামাজন এর চিফ এগজিকিউটিভের পদ ছাড়তে চলেছেন।এবং মঙ্গলবার নিজেই সেই কথা জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছরেই শেষের দিকে হয়তো সরে দাঁড়াবেন তিনি। সূত্র থেকে জানা গেছে নিজের পদ অ্যান্ডি জ্যাসির হাতে তুলে দেবেন তিনি। অ্যান্ডি এইমুহুর্তে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের দায়িত্বে রয়েছেন। করোনা মহামারীর জেরে যেখানে অন্যান্য শিল্পপতিরা লোকসানের মুখোমুখি হয়ছেন সেখানে নিজের লাভ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়েছেন বেজস। লকডাউন এর ফলে ওয়েব সিরিজের দর্শক সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ৭.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বেজসের লাভের পরিমাণ এক ধাক্কায় হয়েছে ১২৫.৬ বিলিওন ডলার।

অ্যামাজনের কর্মীদের একটি চিঠি লিখে নিজের সরে যাওয়ার ইছের কথা জানিয়েছেন জেফ বেজস। পাশাপাশি তিনি বলেছেন অ্যামাজনের বেশ কিছু কাজের সাথে যুক্ত থাকবেন তিনি । কিন্তু এর পর নিজের সংস্থা “ডে ওয়ান ফান্ড” ও ” বেজস আর্থ ফান্ডের ” জন্য বেশি সময় দেবেন তিনি। সেইসঙ্গে মহাকাশ ও সংবাদমাধ্যমের দিকেও তার আগ্রহ আরো একটি বার ঝালিয়ে নিতে চান তিনি। ৫৭ বছরের জেফ বেজস ১৯৯৪ সালে নিজের গ্যারাজে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠা করেন।

ধীরে ধীরে এত বছরে রিটেইল এর দুনিয়ায় সবথেকে বড় নাম অ্যামাজন। সব ধরনের সামগ্রী ঘরে বসেই পাওয়া যায় সেখানে। অবশ্য শুধু অ্যামাজন নয়, ‘দ্যা ওয়াশিংটন পোস্ট’ সংবাদপত্র ও “ব্লু অরিজন” স্পেস ফার্ম ও রয়েছে তার। আবার থেকে সেই দুদিকেই বেশি নজর দিতে চান তিনি।

১৯৯৭ সালে মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে অ্যামাজনে যোগ দিয়েছিলেন জ্যাসি। কোম্পানিকে বড় করার পিছনে তা তারও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই বেজস বলেছেন “অ্যান্ডি কে কোম্পানির সবাই চেনে । আমি যতদিন ধরে এখানে রয়েছে ততদিন ধরেই ও আছে। আমি জানি যে ও খুব ভালো ভাবে এই দায়িত্ব সামলাতে পারবে। ওর ওপর আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। এই মুহূর্তে আমি মনে করি যে অ্যামাজনের আরো বড় হওয়ার সময় এসেছে”।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?