Thursday, June 17, 2021
Home রাজ্য এক দম্পতিকে খুন করার অভিযোগে ধৃত কৃষ্ণ অধিকারী

এক দম্পতিকে খুন করার অভিযোগে ধৃত কৃষ্ণ অধিকারী

মৃত ওই দম্পতির নাম গৌতম সরকার ওতাপসী সরকার।

নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর দিনাজপুর: চাকরি দেবার নাম করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক দম্পতিকে খুন করার অভিযোগে ধৃত কৃষ্ণ অধিকারী নামে এক বিজেপি নেতা।

মৃত ওই দম্পতির নাম গৌতম সরকার(৩৫), ও তার স্ত্রী তাপসী সরকার(২৭)। দু’জনের বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার বাঙ্গার এলাকায়।

পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, ৮ ই মে ওই দম্পতি স্থানীয় বিজেপি নেতা কৃষ্ণ অধিকারীর সাথে অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরির প্রশিক্ষণ নিতে বাড়ি থেকে বের হন। কৃষ্ণ ৯ই মে বাড়ি ফিরলেও ওই গৌতম সরকার ও তাপসী সরকার নামে ওই দম্পতির খোঁজ মেলেনি, পাশাপাশি ওই দম্পতির মোবাইল সুইচড অফ ছিল বলে পরিবারের অভিযোগ। গত ১২ ই মে ওই বিজেপি নেতা কৃষ্ণ অধিকারীর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় ইটাহারের বাঙ্গার এলাকার বাসিন্দারা। এর পাশাপাশি কৃষ্ণ অধিকারী নাম দিয়ে ঘটনার বিবরন সহ ইটাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করে দম্পতির আত্মীয়রা।
বৃহস্পতিবার বিকালে মালদা জেলার গাজোলের একটি বাড়ি থেকে গৌতম সরকার ও তাপসী সরকার এর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। দম্পতিকে খুন করেছে বিজেপি নেতা কৃষ্ণ অধিকারী এমনটাই অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে ইটাহারের বাঙ্গার গ্রাম। ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
ইটাহার থানা সুত্রে জানা গেছে অভিযুক্ত কৃষ্ণ অধিকারীকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ধৃত ব্যক্তি খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইটাহারের নবনির্বাচিত তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মুশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, কৃষ্ণ অধিকারী ওরফে রানা বিজেপির বুথ সভাপতি। সে চাকরি দেওয়ার নাম করে দালালি করে। ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে মৃতা তাপসী সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর বাড়ির লোকজন চাকুরির জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা কৃষ্ণ অধিকারী ট্রেনিংয়ের নাম করে তাপসী ও তাঁর স্বামী গৌতমকে শিলিগুড়ি যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর আর ওই দম্পতির খোঁজ মেলেনি। এরপরই বিধায়ক হিসেবে মুশাররফ হোসেন খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেন। ইতিমধ্যেই মালদার গাজোল থানার পাশেই এক বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় গৌতম ও তাপসীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। দম্পতি খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বিজেপি নেতা কৃষ্ণ অধিকারীকে। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন ইটাহারের বিধায়ক সহ পরিবারের লোকজন ও গ্রামের বাসিন্দারা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইটাহার থানার পুলিশ।

বাইট ১) মৃত দম্পতির আত্মীয়া
২) মুশাররফ হোসেন ( বিধায়ক, ইটাহার)▪👇🏻

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?