Monday, March 1, 2021
Home রাজ্য পুরুলিয়া-বীরভূম-বাঁকুড়া আদিবাসী বাড়িতে খেয়ে ছবি তোলার ইচ্ছে ছিল দিদিমনির,কিন্তু হলো না,মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপের।

আদিবাসী বাড়িতে খেয়ে ছবি তোলার ইচ্ছে ছিল দিদিমনির,কিন্তু হলো না,মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপের।

বাঁকুড়া এসে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

নরেশ ভকত,বাঁকুড়াঃ ২১ শে নির্বাচন যতই এগোচ্ছে,ততই পারদ চড়ছে রাজনীতির।তাই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই জেলা সফর শুরু করছে রাজনৈতিক নেতারা।বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহর প্রাতঃভ্রমণে বের হন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।প্রাতঃভ্রমন এ গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বাঁকুড়ার মাচানতলা ‘চায় পে চর্চা’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি । সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে এক হাত নেন তিনি ।

সেখানে দাড়িয়ে তিনি বলেন,’দিদির ভাইপো উত্তরবঙ্গ গিয়েছিলেন টিএমসি পার্টি আছে না গেছে তাই দেখতে’,পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকেও কটাক্ষ করে তিনি বলেন,’শুভেন্দু অধিকারীর মত যে যুবকরা লড়াই করে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন তাদের কে অপমান করা হয়েছে যে কারণে দল ছেড়ে একের পর এক নেতা বেরিয়ে যাচ্ছে’।

এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাঁকুড়া সফরকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ বলেন,’তার ইচ্ছে ছিল আদিবাসী বাড়িতে খাবে ছবি তুলবে কিন্তু তা হলোনা।মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসীর বাড়িতে গিয়ে খাটিয়াতে বসার জন্য খাটিয়া চাইছেন’।

এছাড়াও তিনি বলেন,’দিদিমণি বলেছিলেন কলকাতাকে লন্ডন বানাবেন, দীঘাকে গোয়া বানাবেন,দার্জিলিংকে সুইজারল্যান্ড বানাবেন, এটা বলার পর তিন বছর কেউ দার্জিলিং এ যাওয়ার সাহস দেখাননি ‘।

এর পরে তৃণমূল নেতাদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন,’আমি যখন কোন গ্রামের মাঝ দিয়ে যায় তখন দোতলা তিনতলা নীল সাদা বড় বাড়ি দেখলে গ্রামের মানুষদের জিজ্ঞেস করি,ভাই এটা কার বাড়ি!তখন তারা বলেন এটা টিএমসি নেতার বাড়ি’।

‘চায় পে চর্চা’কর্মসূচির শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে দিলীপ ঘোষ ‘রাজ্যপালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী’দেখা করার প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষের শুরে বলেন,’দিদিমনি এখন পাকে পড়েছেন, উনি কৃষাণ সম্মান নিধি মেনে নিয়েছেন এবং রাজ্যপাল কে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন,অপমান করছেন,উনি বুঝতে পেরেছেন মানুষ তার বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে তাই রাজ্যপালের সঙ্গে ভাব করতে গেছেন।

এছাড়াও তিনি বলেন রাজ্যে কমিউনিস্টদের আমল থেকে বাংলায় সন্ত্রাস তৈরি হয়েছে,দিদিমনির আমলে তা দ্বিগুন হয়েছে। 2021 সালে বাংলায় বিজেপি আসবে সঙ্গে বাংলায় সন্ত্রাস বন্ধ হবে ।

একইসঙ্গে সকালে বাঁকুড়ার মাচানতলা তে কর্মসূচি সেরে দুপুরে বিবড়দার জনসভা থেকে হুঁকার ছাড়লেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দূর্নীতি প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসাবে ব্যবহার করলেন তাপস পাল ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।

এদিন জনসভা থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘নির্বাচনের পরে পঞ্চায়েতের লুঠের টাকার হিসেব হবে। একশো দিনের কাজের টাকা লুঠের হিসেব হবে। যারা এভাবে লুঠ করেছে তাদের বাঁকুড়া জেলে জায়গা হবে।  বড়রা সেন্ট্রাল জেল ও বিধায়ক সাংসদদের জায়গা হবে ভূবনেশ্বর। যেভাবে সুদীপ ও তাপসকে পাঠানো হয়েছে।’

এরপর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা সিবিআই, ইডির ভয় পাচ্ছেন, তারাই জেলে যাওয়ার কথা বলছেন। নিশ্চই এর কারণ আছে। যাদের জেলে যাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা যাবেন। দিলীপ ঘোষের দাবী, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গেলে দম লাগে, তার আগে ঐ দলটাই না উঠে যায়।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?