Wednesday, March 3, 2021
Home দেশ অশান্ত দিল্লি,পরিস্থিতি সামাল দিতে নামছে অতিরিক্ত ৪৫ কোম্পানি সি আর পি এফ।

অশান্ত দিল্লি,পরিস্থিতি সামাল দিতে নামছে অতিরিক্ত ৪৫ কোম্পানি সি আর পি এফ।

কৃষকরা এতদিন যেরকম শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলেন তাকে কালিমালিপ্ত করল আজকের ঘটনা।

নিজস্ব প্রতিনিধি:সাধারণতন্ত্র দিবসে নাকানি চোবানি খেলো দিল্লী পুলিশ।দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে হাঙ্গামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিস।পরিস্থিতি সামাল দিতে টানা দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা। পাশাপাশি রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।রাজধানীর পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামতে হলো স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লাকেও।

আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলকে কেন্দ্র করে তুলকালাম হয় রাজধানীর একাধিক এলাকায়। সিঙ্ঘু, টিকরি ও গাজিপুর সীমান্তে পুলিসের সঙ্গে সংঘর্ষের পাশাপাশি রাজধানীর বুকে দাপিয়ে বেড়ায় কৃষকরা।

দিল্লি পুলিসের সদর আইটিও এলাকায় পুলিসের বাধা ভেঙে তোলপাড় করে কৃষকরা। পুলিসে বাধা দিলে তাদের ওপরে চড়াও হয় আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও লালকেল্লায় পুলিসের বাধা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে আন্দোলনকারীরা।

ঐতিহাসিক লালকেল্লার গম্বুজে উঠে লাগিয়ে দেওয়া হয় পতাকা। বিকেলেও দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় তোলপাড় করেন কৃষকরা।

এদিকে, আন্দোলনকারীদের সরাতে এখনো পর্যন্ত ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কেন্দ্র।বাকি ১৫ কোম্পানির বাহিনী রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

কৃষকদের তান্ডব প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিসের কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব জানিয়ে দিয়েছেন, “লালকেল্লা ও আইটিওর রাস্তা খালি করতে যতদূর সম্ভব শক্তি প্রয়োগ করা হবে। মিছিলের আগে কৃষকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচান হয়েছিল। পুলিসের নির্দিষ্ট করা রুটে তারা যেতে রাজী হলেও শেষপর্যন্ত তা মানেননি তারা। হাঙ্গামা করেছেন কৃষকরা। এতে বহু পুলিস আহত। কৃষকদের কাছে অনুরোধ, পুলিসের নির্দিষ্ট করে দেওয়া পথ ধরে ফিরে যান”।

অন্যদিকে, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং আহ্বান জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃত কৃষক তারা রাজধানী থেকে ফিরে যান।  দিল্লির পরিস্থিতি দেখে অবাক হয়েছি। কিছু লোক যারা হাঙ্গামা করেছে  তা একেবারই গ্রহণযোগ্য নয়। কৃষকরা এতদিন যেরকম শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলেন তাকে কালিমালিপ্ত করল আজকের ঘটনা।

কৃষক আন্দোলনের অন্য আরেক নেতা হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন,”এই ঘটনার সঙ্গে কৃষকদের কোনো সম্পর্ক নেই,কৃষক আন্দোলনকে বদনাম করতেই সরকার ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে”।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

× How can I help you?